আমার নয়ন তব , প্রেম ৪৮ | Amar noyon tobo

আমার নয়ন তব , প্রেম ৪৮ | Amar noyon tobo  রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

আমার নয়ন তব , প্রেম ৪৮ | Amar noyon tobo

রাগ: পিলু

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): শ্রাবণ, ১৩৩৫

 

 

আমার নয়ন তব:

 

আমার নয়ন তব নয়নের নিবিড় ছায়ায়

মনের কথার কুসুমকোরক খোঁজে

সেথায় কখন অগম গোপন গহন মায়ায়

পথ হারাইল ও যে॥

আতুর দিঠিতে শুধায় সে নীরবেরে–

নিভৃত বাণীর সন্ধান নাই যে রে;

অজানার মাঝে অবুঝের মতো ফেরে

অশ্রুধারায় মজে॥

আমার হৃদয়ে যে কথা লুকানো তার আভাষণ

ফেলে কভু ছায়া তোমার হৃদয়তলে?

দুয়ারে এঁকেছি রক্ত রেখায় পদ্ম-আসন,

সে তোমারে কিছু বলে?

তব কুঞ্জের পথ দিয়ে যেতে যেতে

বাতাসে বাতাসে ব্যথা দিই মোর পেতে–

বাঁশি কী আশায় ভাষা দেয় আকাশেতে

সে কি কেহ নাহি বোঝে॥

 

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

 

‘রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অন্যের সুরারোপিত গানগুলিকে ‘রবীন্দ্রসংগীত’ বর্গভুক্ত করা হয় না। এই কারণে জনপ্রিয় ‘দিনের শেষে ঘুমের দেশে’ (সুরকার: পঙ্কজকুমার মল্লিক) গানটিকে রবীন্দ্রসঙ্গীত পর্যায়ভুক্ত করা হয়নি।

মন্তব্য করুন