আমি কারে ডাকি গো , পূজা ১৭১ | Ami kare daki go

আমি কারে ডাকি গো | Ami kare daki go গানটি পূজা পর্বের একটি গান | রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

আমি কারে ডাকি গো , পূজা ১৭১ | Ami kare daki go

রাগ: অজ্ঞাত | তাল: অজ্ঞাত
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1318
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1911

আমি কারে ডাকি গো :

আমি কারে ডাকি গো,

আমার বাঁধন দাও গো টুটে।

আমি হাত বাড়িয়ে আছি,

আমায় লও কেড়ে লও লুটে ॥

তুমি ডাকো এমনি ডাকে

যেন লজ্জাভয় না থাকে,

যেন সব ফেলে যাই, সব ঠেলে যাই,

যাই ধেয়ে যাই ছুটে ॥

আমি স্বপন দিয়ে বাঁধা–

কেবল ঘুমের ঘোরের বাধা,

সে যে জড়িয়ে আছে প্রাণের কাছে

মুদিয়ে আঁখিপুটে।

ওগো দিনের পর দিন

আমার কোথায় হল লীন,

কেবল ভাষাহারা অশ্রুধারায়

পরান কেঁদে উঠে ॥

 

 

রবীন্দ্রসঙ্গীত হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত গান। বাংলা সংগীতের জগতে এই গানগুলি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ও আমার সোনার বাংলা গানদুটি যথাক্রমে ভারত ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত। এছাড়া ভারতের জাতীয় স্তোত্র বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম্‌ গানটিতে রবীন্দ্রনাথই সুরারোপ করেছিলেন।

‘রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অন্যের সুরারোপিত গানগুলিকে ‘রবীন্দ্রসংগীত’ বর্গভুক্ত করা হয় না। এই কারণে জনপ্রিয় ‘দিনের শেষে ঘুমের দেশে’ (সুরকার: পঙ্কজকুমার মল্লিক) গানটিকে রবীন্দ্রসঙ্গীত পর্যায়ভুক্ত করা হয়নি।

মন্তব্য করুন