তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি , পূজা ২৪৫ | Tomar duar kholar dhoni

তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি , পূজা ২৪৫ | Tomar duar kholar dhoni  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

 

তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি , পূজা ২৪৫ | Tomar duar kholar dhoni

রাগ: আশাবরী-ভৈরবী

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৬ আশ্বিন, ১৩২১

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৩ অক্টোবর, ১৯১৪

 

তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি:

তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥

তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে

আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?।

অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা।

অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা।

আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে–

ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥

 

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত।

মন্তব্য করুন