তোরা যে যা , প্রেম ১৮৪ | Tora je ja

তোরা যে যা , প্রেম ১৮৪ | Tora je ja  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।

 

তোরা যে যা , প্রেম ১৮৪ | Tora je ja

রাগ: বেহাগ-বাউল

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩১৭

 

তোরা যে যা:

 

তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই।

মনোহরণ চপলচরণ সোনার হরিণ চাই॥

সে-যে চমকে বেড়ায় দৃষ্টি এড়ায়, যায় না তারে বাঁধা।

সে-যে নাগাল পেলে পালায় ঠেলে, লাগায় চোখে ধাঁদা।

আমি ছুটব পিছে মিছে মিছে পাই বা নাহি পাই–

আামি আপন-মনে মাঠে বনে উধাও হয়ে ধাই॥

তোরা পাবার জিনিস হাটে কিনিস, রাখিস ঘরে ভরে–

যারে যায় না পাওয়া তারি হাওয়া লাগল কেন মোরে।

আমার যা ছিল তা গেল ঘুচে যা নেই তার ঝোঁকে–

আমার ফুরোয় পুঁজি, ভাবিস, বুঝি মরি তারি শোকে?

আমি আছি সুখে হাস্যমুখে, দুঃখ আমার নাই।

আমি আপন-মনে মাঠে বনে উধাও হয়ে ধাই॥

 

১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন।

১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন।১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

মন্তব্য করুন