দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে [Dukkher Adhar Ratri Bare Bare] কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষলেখা (১৯৪১) কাব্যগ্রন্থের অংশ। শেষলেখা রবীন্দ্রনাথের জীবনের অন্তিম পর্যায়ের গভীর আত্মপ্রকাশ—যেখানে মৃত্যু, অনন্ত, ভয়, এবং জীবনের সার্বিক উপলব্ধি অনন্য শৈলীতে ফুটে উঠেছে। এই কবিতায় কবি দুঃখ ও ভয়ের প্রতীকী রূপ চিত্রিত করেছেন এবং তার সাথে এক দীর্ঘ জীবনের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
কবিতার মৌলিক তথ্য
কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাব্যগ্রন্থ: শেষলেখা
কবিতার নাম: দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে
প্রকাশকাল: ১৯৪১
বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি: আত্মজিজ্ঞাসামূলক ও দার্শনিক কবিতা
দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে – কবিতার পাঠ
দুঃখেরআঁধার রাত্রি বারে বারে
এসেছে আমার দ্বারে;
একমাত্র অস্ত্র তার দেখেছিনু
কষ্টের বিকৃত ভান, ত্রাসের বিকট ভঙ্গি যত
অন্ধকার ছলনার ভূমিকা তাহার।
যতবার ভয়ের মুখোশ তার করেছি বিশ্বাস
ততবার হয়েছে অনর্থ পরাজয়।
এই হার-জিত খেলা, জীবনের মিথ্যা এ কুহক
শিশুকাল হতে বিজড়িত পদে পদে এই বিভীষিকা,
দুঃখের পরিহাসে ভরা।
ভয়ের বিচিত্র চলচ্ছবি–
মৃত্যুর নিপুণ শিল্প বিকীর্ণ আঁধারে।