প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে , পূজা ৩১৪ | Prane khushir tufan utheche

প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে , পূজা ৩১৪ | Prane khushir tufan utheche  রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন।

 

প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে , পূজা ৩১৪ | Prane khushir tufan utheche

রাগ: ভৈরবী-রামকেলী

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৯ ভাদ্র, ১৩২০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৫ অগাস্ট, ১৯১৩

প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে:

 

প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে।

ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে ॥

দুঃখকে আজ কঠিন বলে জড়িয়ে ধরতে বুকের তলে

উধাও হয়ে হৃদয় ছুটেছে ॥

হেথায় কারো ঠাঁই হবে না মনে ছিল এই ভাবনা,

দুয়ার ভেঙে সবাই জুটেছে।

যতন করে আপনাকে যে রেখেছিলেম ধুয়ে মেজে,

আনন্দে সে ধুলায় লুটেছে ॥

 

রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

মন্তব্য করুন