লহো লহো তুলে , পূজা ৫২৮ | Loho loho tule

লহো লহো তুলে , পূজা ৫২৮ | Loho loho tule  রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

লহো লহো তুলে , পূজা ৫২৮ | Loho loho tule

রাগ: কীর্তন

তাল: তেওরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩৩১

লহো লহো তুলে:

 

লহো লহো তুলে লহো নীরব বীণাখানি।

তোমার নন্দননিকুঞ্জ হতে সুর দেহো তায় আনি

ওহে সুন্দর হে সুন্দর ॥

আমি আঁধার বিছায়ে আছি রাতের আকাশে

তোমারি আশ্বাসে।

তারায় তারায় জাগাও তোমার আলোক-ভরা বাণী

ওহে সুন্দর হে সুন্দর ॥

পাষাণ আমার কঠিন দুখে তোমায় কেঁদে বলে,

“পরশ দিয়ে সরস করো, ভাসাও অশ্রুজলে,

ওহে সুন্দর হে সুন্দর।’

শুষ্ক যে এই নগ্ন মরু নিত্য মরে লাজে

আমার চিত্তমাঝে,

শ্যামল রসের আঁচল তাহার বক্ষে দেহো টানি

ওহে সুন্দর হে সুন্দর ॥

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন।

মন্তব্য করুন