হৃদয়নন্দন বনে , পূজা ১৬৮ | Hridoynondon bone

হৃদয়নন্দন বনে , পূজা ১৬৮ | Hridoynondon bone  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

 

হৃদয়নন্দন বনে , পূজা ১৬৮ | Hridoynondon bone

রাগ: মিশ্র পঞ্চম

তাল: ঝাঁপতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০০

হৃদয়নন্দন বনে:

 

হৃদয়নন্দনবনে নিভৃত এ নিকেতনে।

এসো হে আনন্দময়, এসো চিরসুন্দর ॥

দেখাও তব প্রেমমুখ, পাসরি সর্ব দুখ,

বিরহকাতর তপ্ত চিত্ত-মাঝে বিহরো ॥

শুভদিন শুভরজনী আনো এ জীবনে,

ব্যর্থ এ নবজনম সফল করো প্রিয়তম।

মধুর চিরসঙ্গীতে ধ্বনিত করো অন্তর,

ঝরিবে জীবনে মনে দিবানিশা সুধানিঝর ॥

 

১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

 

১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন