নদীপারের এই আষাঢ়ের , পূজা ২৬২ | Nodiparer ei asharer রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।
নদীপারের এই আষাঢ়ের , পূজা ২৬২ | Nodiparer ei asharer
রাগ: রামকেলী-ভৈরবী
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৫ আষাঢ়, ১৩১৭
নদীপারের এই আষাঢ়ের:
নদীপারের এই আষাঢ়ের প্রভাতখানি
নে রে, ও মন, নে রে আপন প্রাণে টানি।
সবুজ-নীলে সোনায় মিলে যে সুধা এই ছড়িয়ে দিলে,
জাগিয়ে দিলে আকাশতলে গভীর বাণী,
নে রে, ও মন, নে রে আপন প্রাণে টানি॥
এমনি করে চলতে পথে ভবের কূলে
দুই ধারে যা ফুল ফুটে সব নিস রে তুলে।
সেগুলি তোর চেতনাতে গেঁথে তুলিস দিবস-রাতে,
দিনে দিনে আলোর মালা ভাগ্য মানি–
নে রে, ও মন, নে রে আপন প্রাণে টানি॥
‘রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অন্যের সুরারোপিত গানগুলিকে ‘রবীন্দ্রসংগীত’ বর্গভুক্ত করা হয় না। এই কারণে জনপ্রিয় ‘দিনের শেষে ঘুমের দেশে’ (সুরকার: পঙ্কজকুমার মল্লিক) গানটিকে রবীন্দ্রসঙ্গীত পর্যায়ভুক্ত করা হয়নি।
রবীন্দ্রসঙ্গীত হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত গান। বাংলা সংগীতের জগতে এই গানগুলি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ও আমার সোনার বাংলা গানদুটি যথাক্রমে ভারত ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত।








![শিশু কাব্যগ্রন্থের মাতৃবৎসল কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । Matribotsol Kobita মাতৃবৎসল কবিতা [ মাতৃবৎসল কাব্যগ্রন্থ ] - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Matribotsol Kobita ]](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/মাতৃবৎসল-কবিতা-মাতৃবৎসল-কাব্যগ্রন্থ--1024x536.gif)

![ভগ্নতরী bhagnatari [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভগ্নতরী bhagnatari [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/ভগ্নতরী-bhagnatari-কবিতা--1024x536.gif)
