মোরে ডাকি লয়ে যাও , পূজা ৩৬৮ | More daki loye jao

মোরে ডাকি লয়ে যাও , পূজা ৩৬৮ | More daki loye jao  রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।

মোরে ডাকি লয়ে যাও , পূজা ৩৬৮ | More daki loye jao

রাগ: ভৈরবী-কালাংড়া

তাল: তেওরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০৮

মোরে ডাকি লয়ে যাও:

মোরে ডাকি লয়ে যাও মুক্তদ্বারে তোমার বিশ্বের সভাতে

আজি এ মঙ্গলপ্রভাতে ॥

উদয়গিরি হতে উচ্চে কহো মোরে: তিমির লয় হল দীপ্তিসাগরে–

স্বার্থ হতে জাগো, দৈন্য হতে জাগো, সব জড়তা হতে জাগো জাগো রে

সতেজ উন্নত শোভাতে ॥

বাহির করো তব পথের মাঝে, বরণ করো মোরে তোমার কাজে।

নিবিড় আবরণ করো বিমোচন, মুক্ত করো সব তুচ্ছ শোচন,

ধৌত করো মম মুগ্ধ লোচন তোমার উজ্জ্বল শুভ্ররোচন

নবীন নির্মল বিভাতে ॥

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত।

মন্তব্য করুন