যদি হায় জীবন , প্রেম ২২৮ | Jodi hay jibon

যদি হায় জীবন , প্রেম ২২৮ | Jodi hay jibon  রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন।

যদি হায় জীবন , প্রেম ২২৮ | Jodi hay jibon

যদি হায় জীবন , প্রেম ২২৮ | Jodi hay jibon

রাগ: ভীমপলশ্রী-মূলতান

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩ আশ্বিন, ১৩৪৬

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯

যদি হায় জীবন:

যদি হায় জীবন পূরণ নাই হল মম তব অকৃপণ করে,

মন তবু জানে জানে–

চকিত ক্ষণিক আলোছায়া তব আলিপন আঁকিয়া যায়

ভাবনার প্রাঙ্গণে॥

বৈশাখের শীর্ণ নদী ভরা স্রোতের দান না পায় যদি

তবু সঙ্কুচিত তীরে তীরে

ক্ষীণ ধারায় পলাতক পরশখানি দিয়ে যায়,

পিয়াসি লয় তাহা ভাগ্য মানি॥

মম ভীরু বাসনার অঞ্জলিতে

যতটুকু পাই রয় উচ্ছলিতে।

দিবসের দৈন্যের সঞ্চয় যত

যত্নে ধরে রাখি,

সে যে রজনীর স্বপ্নের আয়োজন॥

 

রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।

তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত। ৬৪ খণ্ডে প্রকাশিত স্বরবিতান গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় গানের স্বরলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্য করুন