আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু | Amar matha noto kore dao hey provu

আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু | Amar matha noto kore dao hey provu রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।

আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু | Amar matha noto kore dao hey provu

রাগ: ইমনকল্যাণ | তাল: তেওরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1313
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1906
স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন

 

আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু | Amar matha noto kore dao hey provu
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু :

আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে।

সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে॥

নিজেরে করিতে গৌরব দান নিজেরে কেবলি করি অপমান,

আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া ঘুরে মরি পলে পলে।

সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে॥

আমারে না যেন করি প্রচার আমার আপন কাজে,

তোমারি ইচ্ছা করো হে পূর্ণ আমার জীবনমাঝে।

যাচি হে তোমার চরম শান্তি, পরানে তোমার পরম কান্তি,

আমারে আড়াল করিয়া দাঁড়াও হৃদয়পদ্মদলে।

সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে॥

 

জাগরণ jagoran [ কবিতা ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল।কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন।সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ কে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন।

 

AmarRabindranath.com Logo 252x68 px White আমার মাথা নত করে দাও হে প্রভু | Amar matha noto kore dao hey provu

 

এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন।সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন।

আরও দেখুন:

মন্তব্য করুন