আমি বহু বাসনায় প্রানপনে চাই , গীতাঞ্জলি ২ | Ami bohu bashonay pranpone chai

আমি বহু বাসনায় প্রানপনে চাই , গীতাঞ্জলি ২ | Ami bohu bashonay pranpone chai গানটি  গীতাঞ্জলি পর্বের একটি গান | রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

আমি বহু বাসনায় প্রানপনে চাই , গীতাঞ্জলি ২ | Ami bohu bashonay pranpone chai

  ১৩১৩

আমি বহু বাসনায় প্রানপনে চাই , গীতাঞ্জলি ২ | Ami bohu bashonay pranpone chai

আমি বহু বাসনায় প্রানপনে চাই :

আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই,

বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে।

এ কৃপা কঠোর সঞ্চিত মোর

জীবন ভ’রে।

না চাহিতে মোরে যা করেছ দান

আকাশ আলোক তনু মন প্রাণ,

দিনে দিনে তুমি নিতেছ আমায়

সে মহাদানেরই যোগ্য করে

অতি-ইচ্ছার সংকট হতে

বাঁচায়ে মোরে।

আমি কখনো-বা ভুলি, কখনো-বা চলি

তোমার পথের লক্ষ্য ধরে;

তুমি নিষ্ঠুর সম্মুখ হতে

যাও সে সরে।

এ যে তব দয়া জানি জানি হায়,

নিতে চাও বলে ফিরাও আমায়,

পূর্ণ করিয়া লবে এ জীবন

তব মিলনেরই যোগ্য করে

আধা-ইচ্ছার সংকট হতে

বাঁচায়ে মোরে।

 

ভুল ভাঙা কবিতা । bhul bhanga kobita | মানসী কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

ব্যর্থ যৌবন কবিতা । Bartho jaubon kobita | সোনার তরী কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।

আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন