কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan

কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।

 

কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan

রাগ: খাম্বাজ-বাউল

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৪ ফাল্গুন, ১৩৩০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৭ মার্চ, ১৩২৪

 

কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan

কন্ঠে নিলেম গান:

 

কণ্ঠে নিলেম গান, আমার শেষ পারানির কড়ি–

একলা ঘাটে রইব না গো পড়ি ॥

আমার সুরের রসিক নেয়ে

তারে ভোলাব গান গেয়ে,

পারের খেয়ায় সেই ভরসায় চড়ি ॥

পার হব কি নাই হব তার খবর কে রাখে–

দূরের হাওয়ায় ডাক দিল এই সুরের পাগলাকে।

ওগো তোমরা মিছে ভাব’,

আমি যাবই যাবই যাব–

ভাঙল দুয়ার, কাটল দড়াদড়ি ॥

 

 

কন্ঠে নিলেম গান , পূজা ৩১ | Konthe nilem gan
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়।

আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন