কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।

 

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye

রাগ: কালাংড়া-ভৈরবী

তাল: ষষ্ঠী

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ ভাদ্র, ১৩৩৩

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২৬

 

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায়:

 

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় দোলায় মন,

তাই কেমন হয়ে আছিস সারাক্ষণ॥

হাসি যে তাই অশ্রুভরে নোওয়া,

ভাবনা যে তাই মৌন দিয়ে ছোঁওয়া,

ভাষায় যে তোর সুরের আবরণ॥

তোর পরানে কোন্‌ পরশমণির খেলা,

তাই হৃদ্‌গগনে সোনার মেঘের মেলা।

দিনের স্রোতে তাই তো পলকগুলি

ঢেউ খেলে যায় সোনার ঝলক তুলি,

কালোয় আলোয় কাঁপে আঁখির কোণ॥

 

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

 

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় , প্রেম ১৪৬ | Kar chokher chawar haoaye
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন