কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami

কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।

কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami

রাগ: সাহানা

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯২

 

কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কী গাব আমি:

কী গাব আমি, কী শুনাব, আজি আনন্দধামে।

পুরবাসী জনে এনেছি ডেকে তোমার অমৃতনামে ॥

কেমনে বর্ণিব তোমার রচনা, কেমনে রটিব তোমার করুণা,

কেমনে গলাব হৃদয় প্রাণ তোমার মধুর প্রেমে ॥

তব নাম লয়ে চন্দ্র তারা অসীম শূন্যে ধাইছে–

রবি হতে গ্রহে ঝরিছে প্রেম, গ্রহ হতে গ্রহে ছাইছে।

অসীম আকাশ নীলশতদল তোমার কিরণে সদা ঢলঢল,

তোমার অমৃতসাগর-মাঝারে ভাসিছে অবিরামে ॥

 

 

কী গাব আমি , পূজা ৩০৪ | Ki gabo ami
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন