কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও , প্রকৃতি ২ | Kushume kushume choron chinho diye jao

কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও  | Kushume kushume choron chinho diye jao গানটি  প্রকৃতি  পর্বের একটি গান | রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও , প্রকৃতি ২ | Kushume kushume choron chinho diye jao

রাগ: খাম্বাজ | তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৬ ফাল্গুন, ১৩৩১
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১০ মার্চ, ১৯২৫
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

 

কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও , প্রকৃতি ২ | Kushume kushume choron chinho diye jao
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও :

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও, শেষে দাও মুছে।

ওহে চঞ্চল, বেলা না যেতে খেলা কেন তব যায় ঘুচে॥

চকিত চোখের অশ্রুসজল বেদনায় তুমি ছুঁয়ে ছুঁয়ে চল–

কোথা সে পথের শেষ কোন্‌ সুদূরের দেশ

সবাই তোমায় তাই পুছে॥

বাঁশরির ডাকে কুঁড়ি ধরে শাখে, ফুল যবে ফোটে নাই দেখা।

তোমার লগন যায় সে কখন, মালা গেঁথে আমি রই একা।

“এসো এসো এসো’ আঁখি কয় কেঁদে। তৃষিত বক্ষ বলে “রাখি বেঁধে’

যেতে যেতে, ওগো প্রিয়, কিছু ফেলে রেখে দিয়ো

ধরা দিতে যদি নাই রুচে॥

 

AmarRabindranath.com Logo 252x68 px White কুসুমে কুসুমে চরন চিহ্ন দিয়ে যাও , প্রকৃতি ২ | Kushume kushume choron chinho diye jao

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

 

প্রকৃতির প্রতি কবিতা । prokritir proti kobita | মানসী কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।

আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন