কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol

কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

 

কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol

রাগ: রামকেলী

তাল: তেওরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩৩২

 

কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কেন আমায় পাগল:

 

কেন আমায় পাগল করে যায় ওরে চলে-যাওয়ার দল।

আকাশে বয় বাতাস উদাস, পরান টলোমল॥

প্রভাততারা দিশাহারা, শরতমেঘের ক্ষণিক ধারা–

সভা ভাঙার শেষ বীণাতে তাল লাগে চঞ্চল॥

নাগকেশরের ঝরা কেশর ধুলার সাথে মিতা।

গোধুলি সে রক্ত-আলোয় জ্বালে আপন চিতা।

শীতের হাওয়ায় ঝরায় পাতা, আম্‌লকী-বন মরণ-মাতা,

বিদায়বাঁশির সুরে বিধুর সাঁজের দিগঞ্চল॥

 

কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন। রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ সুকুমার সেন রবীন্দ্রসংগীত রচনার ইতিহাসে চারটি পর্ব নির্দেশ করেছেন।প্রথম পর্বে তিনি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্ট গীতের অনুসরণে গান রচনা শুরু করেছিলেন।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

কেন আমায় পাগল , প্রেম ১৭৩ | Keno amay pagol
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন