কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni

কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni গানটি পূজা পর্বের একটি গান | রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

 

কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni

রাগ: ভৈরবী

তাল: ঝাঁপতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯৩

 

কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কেন বাণী তব নাহি শুনি:

 

কেন বাণী তব নাহি শুনি নাথ হে?

অন্ধজনে নয়ন দিয়ে অন্ধকারে ফেলিলে, বিরহে তব কাটে দিনরাত হে ॥

স্বপনসম মিলাবে যদি কেন গো দিলে চেতনা–

চকিতে শুধু দেখা দিয়ে চিরমরমবেদনা,

আপনা-পানে চাহি শুধু নয়নজলপাত হে ॥

পরশে তব জীবন নব সহসা যদি জাগিল

কেন জীবন বিফল কর– মরণশরঘাত হে।

অহঙ্কার চূর্ণ করো, প্রেমে মন পূর্ণ করো,

হৃদয় মন হরণ করি রাখো তব সাথ হে ॥

 

 

কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

কেন বাণী তব নাহি শুনি , পূজা ৩৯৬ | Keno bani tobo nahi shuni
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন