কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi

কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।

 

কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi

রাগ: দেশ-কীর্তন

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০৬

 

কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

কে জানিত তুমি:

কে জানিত তুমি ডাকিবে আমারে, ছিলাম নিদ্রামগন।

সংসার মোরে মহামোহঘোরে ছিল সদা ঘিরে সঘন ॥

আপনার হাতে দিবে যে বেদনা, ভাসাবে নয়নজলে,

কে জানিত হবে আমার এমন শুভদিন শুভলগন ॥

জানি না কখন করুণা-অরুণ উঠিল উদয়াচলে,

দেখিতে দেখিতে কিরণে পুরিল আমার হৃদয়গগন ॥

তোমার অমৃতসাগর হইতে বন্যা আসিল কবে,

হৃদয়ে বাহিরে যত বাঁধ ছিল কখন হইল ভগন ॥

সুবাতাস তুমি আপনি দিয়েছ, পরানে দিয়েছ আশা–

আমার জীবনতরণী হইবে তোমার চরণে মগন ॥

 

কে জানিত তুমি , পূজা ৪৯৭ | Ke janito tumi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়।

১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন।১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

আরও দেখুন:

মন্তব্য করুন