কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner

কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা।

কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner

রাগ: বাউল

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৭ পৌষ, ১৩১৬

 

কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner

কোন্ আলোতে প্রাণের:

 

কোন্‌ আলোতে প্রাণের প্রদীপ জ্বালিয়ে তুমি ধরায় আস–

সাধক ওগো, প্রেমিক ওগো,

পাগল ওগো, ধরায় আস।

এই অকুল সংসারে

দুঃখ-আঘাত তোমার প্রাণে বীণা ঝংকারে।

ঘোর বিপদ-মাঝে

কোন্‌ জননীর মুখের হাসি দেখিয়া হাস॥

তুমি কাহার সন্ধানে

সকল সুখে আগুন জ্বেলে বেড়াও কে জানে।

এমন ব্যাকুল করে

কে তোমারে কাঁদায় যারে ভালোবাস।

তোমার ভাবনা কিছু নাই–

কে যে তোমার সাথের সাথি ভাবি মনে তাই।

তুমি মরণ ভুলে

কোন্‌ অনন্ত প্রাণসাগরে আনন্দে ভাস॥

 

কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

কোন্ আলোতে প্রাণের , পূজা ৫৫৭ | Kon alote praner
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন