ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar

ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

 

ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar

রাগ: ইমনকল্যাণ

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৬ আশ্বিন, ১৩২১

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৩ অক্টোবর, ১৯১৪

 

ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

ক্লান্তি আমার:

 

ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,

পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু॥

এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো

এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু ॥

এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু,

পিছন-পানে তাকাই যদি কভু।

দিনের তাপে রৌদ্রজ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায়,

সেই ম্লানতা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু ॥

 

 

ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত।

 

ক্লান্তি আমার , পূজা ১৫৭ | Klanti amar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন