গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina

গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

 

 

গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina

রাগ: ভৈরবী-রামকেলী

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯২

গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

গাও বীণা:

 

গাও বীণা– বীণা, গাও রে।

অমৃতমধুর তাঁর প্রেমগান মানব-সবে শুনাও রে।

মধুর তানে নীরস প্রাণে মধুর প্রেম জাগাও রে ॥

ব্যথা দিয়ো না কাহারে, ব্যথিতের তরে পাষাণ প্রাণ কাঁদাও রে ॥

নিরাশেরে কহো আশার কাহিনী, প্রাণে নব বল দাও রে।

আনন্দময়ের আনন্দ-আলয় নব নব তানে ছাও রে।

পড়ে থাকো সদা বিভুর চরণে, আপনারে ভুলে যাও রে ॥

 

গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

 

গাও বীণা , পূজা ৪৫৮ | Gao bina
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন