চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite

চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।

 

চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite

রাগ: ভৈরবী

তাল: অর্ধঝাঁপ

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৩২১

 

চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

চরণ ধরিতে:

 

চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে, নিয়ো না, নিয়ো না সরায়ে–

জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে ॥

স্খলিত শিথিল কামনার ভার বহিয়া বহিয়া ফিরি কত আর–

নিজ হাতে তুমি গেঁথে নিয়ো হার, ফেলো না আমারে ছড়ায়ে ॥

চিরপিপাসিত বাসনা বেদনা বাঁচাও তাহারে মারিয়া।

শেষ জয়ে যেন হয় সে বিজয়ী তোমারি কাছেতে হারিয়া।

বিকায়ে বিকায়ে দীন আপনারে পারি না ফিরিতে দুয়ারে দুয়ারে–

তোমারি করিয়া নিয়ো গো আমারে বরণের মালা পরায়ে ॥

 

চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন।১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

 

চরণ ধরিতে , পূজা ১০৪ | Choron dhorite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন