তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale

 

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ’ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale  :

তুমি ডাক দিয়েছ কোন্‌ সকালে কেউ তা জানে না,
আমার মন যে কাঁদে আপন মনে কেউ তা মানে না ॥

ফিরি আমি উদাস প্রাণে, তাকাই সবার মুখের পানে,
তোমার মতো এমন টানে কেউ তো টানে না ॥

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ’ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

বেজে ওঠে পঞ্চমে স্বর, কেঁপে ওঠে বন্ধ এ ঘর,
বাহির হতে দুয়ারে কর কেউ তো হানে না।
আকাশে কার ব্যাকুলতা, বাতাস বহে কার বারতা,
এ পথে সেই গোপন কথা কেউ তো আনে না ॥

 

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:

১৯২১ সালে শান্তিনিকেতনের অদূরে সুরুল গ্রামে মার্কিন কৃষি-অর্থনীতিবিদ লেনার্ড নাইট এলমহার্স্ট, রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শান্তিনিকেতনের আরও কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্রের সহায়তায় রবীন্দ্রনাথ “পল্লীসংগঠন কেন্দ্র” নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থার উদ্দেশ্য ছিল কৃষির উন্নতিসাধন, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি রোগ নিবারণ, সমবায় প্রথায় ধর্মগোলা স্থাপন, চিকিৎসার সুব্যবস্থা এবং সাধারণ গ্রামবাসীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা। ১৯২৩ সালে রবীন্দ্রনাথ এই সংস্থার নাম পরিবর্তন করে রাখেন “শ্রীনিকেতন”। শ্রীনিকেতন ছিল মহাত্মা গান্ধীর প্রতীক ও প্রতিবাদসর্বস্ব স্বরাজ আন্দোলনের একটি বিকল্প ব্যবস্থা। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ, গান্ধীর আন্দোলনের পন্থা-বিরোধী ছিলেন। পরবর্তীকালে দেশ ও বিদেশের একাধিক বিশেষজ্ঞ, দাতা ও অন্যান্য পদাধিকারীরা শ্রীনিকেতনের জন্য আর্থিক ও অন্যান্য সাহায্য পাঠিয়েছিলেন। ১৯৩০-এর দশকের প্রথম ভাগে একাধিক বক্তৃতা, গান ও কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ভারতীয় সমাজের বর্ণাশ্রম প্রথা ও অস্পৃশ্যতার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন।

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে  | Tumi dak diyecho kon sokale | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ’ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন:

মন্তব্য করুন