দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de

দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de  রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন।

 

দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de

রাগ: কীর্তন

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): চৈত্র, ১৩৩২

 

দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

দে পড়ে দে:

দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে।

তার দূরের বাণীর পরশমানিক লাগুক আমার প্রাণে এসে॥

শস্যখেতের গন্ধখানি একলা ঘরে দিক সে আনি,

ক্লান্তগমন পান্থহাওয়া লাগুক আমার মুক্ত কেশে॥

নীল আকাশের সুরটি নিয়ে বাজাক আমার বিজন মনে,

ধূসর পথের উদাস বরন মেলুক আমার বাতায়নে।

সূর্য ডোবার রাঙা বেলায় ছড়াব প্রাণ রঙের খেলায়,

আপন-মনে চোখের কোণে আশ্রু-আভাস উঠবে ভেসে॥

 

দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।

 

দে পড়ে দে , প্রেম ৭১ | De pore de
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন