ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite

ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

 

ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite

রাগ: কাফি

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ফাল্গুন, ১৩৪৫

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): মার্চ, ১৯৩৯

 

ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

ধূসর জীবনের গোধূলিতে:

ধূসর জীবনের গোধূলিতে ক্লান্ত আলোয় ম্লানস্মৃতি।

সেই সুরের কায়া মোর সাধের সাথি, স্বপ্নের সঙ্গিনী,

তারি আবেশ লাগে মনে বসন্তবিহ্বল বনে॥

দেখি তার বিরহী মূর্তি বেহাগের তানে

সকরুণ নত নয়ানে।

পূর্ণিমা জ্যোৎস্নালোকে মিলে যায়

জাগ্রত কোকিল-কাকলিতে মোর বাঁশির গীতে॥

 

ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।

 

ধূসর জীবনের গোধূলিতে , প্রেম ২৩৬ | Dhushor jiboner godhulite
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন