নিধু বলে আড়চোখে কবিতা | nidhu bole archokhe kobita | খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিধু বলে আড়চোখে কবিতাটি [ nidhu bole archokhe kobita ] কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর খাপছাড়া-কাব্যগ্রন্থের অংশ।

নিধু বলে আড়চোখে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

কাব্যগ্রন্থের নামঃ খাপছাড়া

কবিতার নামঃ নিধু বলে আড়চোখে

 

নিধু বলে আড়চোখে কবিতা | nidhu bole archokhe kobita | খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

নিধু বলে আড়চোখে কবিতা | nidhu bole archokhe kobita | খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিধু বলে আড়চোখে, “কুছ নেই পরোয়া।’–

স্ত্রী দিলে গলায় দড়ি বলে, “এটা ঘরোয়া।’

          দারোগাকে হেসে কয়,

          “খবরটা দিতে হয়’–

পুলিস যখন করে ঘরে এসে চড়োয়া।

          বলে, “চরণের রেণু

          নাহি চাহিতেই পেনু।’–

এই ব’লে নিধিরাম করে পায়ে-ধরোয়া।

নিধু বাঁকা ক’রে ঘাড় ওড়নাটা উড়িয়ে

বলে, “মোর পাকা হাড়, যাব নাকো বুড়িয়ে।

          যে যা খুশি করুক-না,

          মারুক-না, ধরুক-না,

তাকিয়াতে দিয়ে ঠেস দেব সব তুড়িয়ে।’

          গালি তারে দিল লোকে

          হাসে নিধু আড়চোখে;

বলে, “দাদা, আরো বলো, কান গেল জুড়িয়ে।’

 

নিধু বলে আড়চোখে কবিতা | nidhu bole archokhe kobita | খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

পিসে হয় কুলদার, ভুলুদার কাকা সে–

আড়চোখে হাসে আর করে ঘাড় বাঁকা সে।

          যবে গিয়ে শালিখায়

          সাহেবের গালি খায়,

“কেয়ার করিনে’ ব’লে তুড়ি মারে আকাশে।

          যেদিন ফয়জাবাদে

          পত্নী ফুঁপিয়ে কাঁদে,

“তবে আসি’ ব’লে হাসি চলে যায় ঢাকা সে।

আরও দেখুনঃ 

Amar Rabindranath Logo

মন্তব্য করুন