পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay

পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay  রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।

 

পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay

রাগ: পিলু

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩৪০

 

পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

পথের শেষ কোথায়:

 

পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে!

এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে।

ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার,

পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্‌ দেশে।

আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায়

বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই–

হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥

 

পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

 

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

 

পথের শেষ কোথায় , পূজা ৬১৫ | Pother ses kothay
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন