পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi

পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

 

পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi

রাগ: ভৈরবী

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩২৫

 

পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

পাত্রখানা যায় যদি:

পাত্রখানা যায় যদি যাক ভেঙেচুরে–

আছে অঞ্জলি মোর, প্রসাদ দিয়ে দাও-না পুরে ॥

সহজ সুখের সুধা তাহার মূল্য তো নাই,

ছড়াছড়ি যায় সে-যে ওই যেখানে চাই–

বড়ো-আপন কাছের জিনিস রইল দূরে।

হৃদয় আমার সহজ সুধায় দাও-না পুরে ॥

বারে বারে চাইব না আর মিথ্যা টানে

ভাঙন-ধরা আঁধার-করা পিছন-পানে।

বাসা বাঁধার বাঁধনখানা যাক-না টুটে,

অবাধ পথের শূন্যে আমি চলব ছুটে।

শূন্য-ভরা তোমার বাঁশির সুরে সুরে

হৃদয় আমার সহজ সুধায় দাও-না পুরে ॥

 

পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়।

 

পাত্রখানা যায় যদি , পূজা ৯৬ | Patrokhana jay jodi
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন