পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar

পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar

রাগ: মিশ্র কেদারা

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): আষাঢ়, ১৩৩৫

 

পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

পূর্ণ প্রাণে চাবার:

পূর্ণ প্রাণে চাবার যাহা রিক্ত হাতে চাস নে তারে,

সিক্তচোখে যাস নে দ্বারে॥

রত্নমালা আনবি যবে মাল্যবদল তখন হবে–

পাতবি কি তোর দেবীর আসন শূন্য ধুলার পথের ধারে॥

বৈশাখে বন রুক্ষ যখন, বহে পবন দৈন্যজ্বালা,

হায় রে তখন শুকনো ফুলে ভরবি কি তোর বরণডালা।

অতিথিরে ডাকবি যবে ডাকিস যেন সগৌরবে,

লক্ষ শিখায় জ্বলবে যখন দীপ্ত প্রদীপ অন্ধকারে॥

 

পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়।

 

পূর্ণ প্রাণে চাবার , প্রেম ৩২৪ | Purno prane chabar
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন