প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai

প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai  রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।

 

প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai

রাগ: মিশ্র ছায়ানট

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৬ চৈত্র, ১৩২০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৯ এপ্রিল, ১৯১৪

 

প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

প্রাণে গান নাই:

 

প্রাণে গান নাই, মিছে তাই ফিরিনু যে

বাঁশিতে সে গান খুঁজে।

প্রেমেরে বিদায় ক’রে দেশান্তরে

বেলা যায় কারে পূজে॥

বনে তোর লাগাস আগুন, তবে ফাগুন কিসের তরে–

বৃথা তোর ভস্ম-‘পরে মরিস যুঝে ॥

ওরে, তোর নিবিয়ে দিয়ে ঘরের বাতি

কী লাগি ফিরিস পথে দিবারাতি–

যে আলো শতধারায় আঁখিতারায় পড়ে ঝ’রে

তাহারে কে পায় ওরে নয়ন বুজে?।

 

প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন।

 

প্রাণে গান নাই , পূজা ২৩৮ | Prane gan nai
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-[ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন