বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo

বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।

বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo

রাগ: বেহাগ

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩৪৫

 

বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

বলো সখী বলো:

বলো সখী, বলো তারি নাম

আমার কানে কানে

যে-নাম বাজে তোমার বীণার

তানে তানে॥

বসন্তবাতাসে বনবীথিকায়

সে-নাম মিলে যাবে,

বিরহীবিহঙ্গকলগীতিকায়

সে নাম মদির হবে যে বকুলঘ্রাণে॥

নাহয় সখীদের মুখে মুখে

সে নাম দোলা খাবে সকৌতুকে।

পূর্ণিমারাতে একা যবে

অকারণে মন উতলা হবে

সে-নাম শুনাইব গানে গানে॥

 

বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

 

বলো সখী বলো , প্রেম ২১৬ | Bolo sokhi bolo
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন