মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora

মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora

রাগ: ভৈরবী

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩২১

 

মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-[ Rabindranath Tagore ]

মালা হতে খসে-পড়া:

 

মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল

মাথায় আমার ধরতে দাও গো ধরতে দাও।

ওই মাধুরী-সরোবরের নাই যে কোথাও তল–

হোথায় আমায় ডুবতে দাও গো, মরতে দাও॥

দাও গো মুছে আমার ভালে অপমানের লিখা,

নিভৃতে আজ বন্ধু, তোমার আপন হাতের টিকা

ললাটে মোর পরতে দাও গো পরতে দাও॥

বহুক তোমার ঝড়ের হাওয়া আমার ফুলবনে,

শুকনো পাতা মলিন কুসুম ঝরতে দাও।

পথ জুড়ে যা পড়ে আছে আমার এ জীবনে

দাও গো তাদের সরতে দাও গো, সরতে দাও।

তোমার মহাভান্ডারেতে আছে অনেক ধন,

কুড়িয়ে বেড়াই মুঠা ভ’রে, ভরে না তায় মন–

অন্তরেতে জীবন আমার ভরতে দাও॥

 

মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

মালা হতে খসে-পড়া , পূজা ৪১ | Mala hote khoshe pora
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন:

মন্তব্য করুন