যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher

যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

 

যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher

রাগ: রামকেলী

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২ ফাল্গুন, ১৩২০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৪

 

যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

যদি জানতেম আমার কিসের:

যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা তোমায় জানাতাম।

কে যে আমায় কাঁদায় আমি কী জানি তার নাম॥

কোথায় যে হাত বাড়াই মিছে, ফিরি আমি কাহার পিছে–

সব যেন মোর বিকিয়েছে, পাই নি তাহার দাম॥

এই বেদনার ধন সে কোথায় ভাবি জনম ধ’রে।

ভুবন ভরে আছে যেন, পাই নে জীবন ভরে।

সুখ যারে কয় সকল জনে বাজাই তারে ক্ষণে ক্ষণে–

গভীর সুরে “চাই নে’ “চাই নে’ বাজে অবিশ্রাম॥

 

যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

যদি জানতেম আমার কিসের , প্রেম ৪৬ | Jodi jantem amar kisher
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন