সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur

সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur

রাগ: আড়ানা

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০৭

 

সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

সকল গর্ব দূর:

সকল গর্ব দূর করি দিব,

তোমার গর্ব ছাড়িব না।

সবারে ডাকিয়া কহিব যে দিন

পাব তব পদরেণুকণা ॥

তব আহ্বান আসিবে যখন

সে কথা কেমনে করিব গোপন!

সকল বাক্যে সকল কর্মে

প্রকাশিবে তব আরাধনা ॥

যত মান আমি পেয়েছি যে কাজে

সে দিন সকলই যাবে দূরে,

শুধু তব মান দেহে মনে মোর

বাজিয়া উঠিবে এক সুরে।

পথের পথিক সেও দেখে যাবে

তোমার বারতা মোর মুখভাবে

ভবসংসারবাতায়নতলে

ব’সে রব যবে আনমনা ॥

 

সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডে প্রকাশিত গানগুলি ‘গীতিনাট্য’, ‘নৃত্যনাট্য’, ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, ‘নাট্যগীতি’, ‘জাতীয় সংগীত’, ‘পূজা ও প্রার্থনা’, ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত, ‘প্রেম ও প্রকৃতি’ ইত্যাদি পর্যায়ে বিন্যস্ত।

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

সকল গর্ব দূর , পূজা ৫১৫ | Shokol gorbo dur
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুন :

মন্তব্য করুন