সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde

সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde  ‘রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অন্যের সুরারোপিত গানগুলিকে ‘রবীন্দ্রসংগীত’ বর্গভুক্ত করা হয় না। এই কারণে জনপ্রিয় ‘দিনের শেষে ঘুমের দেশে’ (সুরকার: পঙ্কজকুমার মল্লিক) গানটিকে রবীন্দ্রসঙ্গীত পর্যায়ভুক্ত করা হয়নি।

 

সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde

রাগ: খট

তাল: ঝাঁপতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০৬

 

সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

সদা থাকো আনন্দে:

 

সদা থাকো আনন্দে, সংসারে নির্ভয়ে নির্মলপ্রাণে ॥

জাগো প্রাতে আনন্দে, করো কর্ম আনন্দে

সন্ধ্যায় গৃহে চলো হে আনন্দগানে ॥

সঙ্কটে সম্পদে থাকো কল্যাণে,

থাকো আনন্দে নিন্দা-অপমানে।

সবারে ক্ষমা করি থাকো আনন্দে,

চির-অমৃতনির্ঝরে শান্তিরসপানে ॥

 

 

সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রসঙ্গীত হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত গান। বাংলা সংগীতের জগতে এই গানগুলি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ও আমার সোনার বাংলা গানদুটি যথাক্রমে ভারত ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত। এছাড়া ভারতের জাতীয় স্তোত্র বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম্‌ গানটিতে রবীন্দ্রনাথই সুরারোপ করেছিলেন।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

সদা থাকো আনন্দে , পূজা ৩২৩ | Shoda thako anonde
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

 

মন্তব্য করুন