সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go

সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।

 

সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go

রাগ: ইমন-পূরবী

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৩২১

 

সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

সন্ধ্যা হল গো:

 

সন্ধ্যা হল গো– ও মা, সন্ধ্যা হল, বুকে ধরো।

অতল কালো স্নেহের মাঝে ডুবিয়ে আমায় স্নিগ্ধ করো ॥

ফিরিয়ে নে মা, ফিরিয়ে নে গো– সব যে কোথায় হারিয়েছে গো

ছড়ানো এই জীবন, তোমার আঁধার-মাঝে হোক-না জড়ো ॥

আর আমারে বাইরে তোমার কোথাও যেন না যায় দেখা।

তোমার রাতে মিলাক আমার জীবনসাঁজের রশ্মিরেখা।

আমায় ঘিরি আমায় চুমি কেবল তুমি, কেবল তুমি–

আমার ব’লে যা আছে, মা, তোমার ক’রে সকল হরো ॥

 

সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন।

 

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা।রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

 

সন্ধ্যা হল গো , পূজা ১৬০ | Shondha holo go
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন