সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao

সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন। রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ সুকুমার সেন রবীন্দ্রসংগীত রচনার ইতিহাসে চারটি পর্ব নির্দেশ করেছেন।প্রথম পর্বে তিনি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্ট গীতের অনুসরণে গান রচনা শুরু করেছিলেন।

 

সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao

রাগ: কাফি-কানাড়া

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩৩৭

 

সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

সুরের গুরু দাও:

 

সুরের গুরু, দাও গো সুরের দীক্ষা–

মোরা সুরের কাঙাল, এই আমাদের ভিক্ষা ॥

মন্দাকিনীর ধারা,উষার শুকতারা,

কনকচাঁপা কানে কানে যে সুর পেল শিক্ষা ॥

তোমার সুরে ভরিয়ে নিয়ে চিত্ত

যাব যেথায় বেসুর বাজে নিত্য।

কোলাহলের বেগে ঘুর্ণি উঠে জেগে,

নিয়ো তুমি আমার বীণার সেইখানেই পরীক্ষা ॥

 

সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

 

দ্বিতীয় পর্যায়ে (১৮৮৪-১৯০০) পল্লীগীতি ও কীর্তনের অনুসরণে রবীন্দ্রনাথ নিজস্ব সুরে গান রচনা শুরু করেন।এই পর্বের রবীন্দ্রসংগীতে ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট সংগীতস্রষ্টা মধুকান, রামনিধি গুপ্ত, শ্রীধর কথক প্রমুখের প্রভাবও সুস্পষ্ট। এই সময় থেকেই তিনি স্বরচিত কবিতায় সুর দিয়ে গান রচনাও শুরু করেছিলেন। ১৯০০ সালে শান্তিনিকেতনে বসবাস শুরু করার পর থেকে রবীন্দ্রসংগীত রচনার তৃতীয় পর্বের সূচনা ঘটে।এই সময় রবীন্দ্রনাথ বাউল গানের সুর ও ভাব তার নিজের গানের অঙ্গীভূত করেন।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর রবীন্দ্রনাথের গান রচনার চতুর্থ পর্বের সূচনা হয়।

 

সুরের গুরু দাও , পূজা ২ | Shurer guru dao
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন