স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho

স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

 

স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho

রাগ: বেহাগ

তাল: চৌতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯৩

 

স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

স্বামী তুমি এসো:

 

স্বামী, তুমি এসো আজ অন্ধকার হৃদয়মাঝে–

পাপে ম্লান পাই লাজ, ডাকি হে তোমারে ॥

ক্রন্দন উঠিছে প্রাণে, মন শান্তি নাহি মানে,

পথ তবু নাহি জানে আপন আঁধারে ॥

ধিক ধিক জনম মম, বিফল বিষয়শ্রম–

বিফল ক্ষণিক প্রেম টুটিয়া যায় বারবার।

সন্তাপে হৃদয় দহে, নয়নে অশ্রুবারি বহে,

বাড়িছে বিষয়পিপাসা বিষম বিষবিকারে ॥

 

স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

 

স্বামী তুমি এসো , পূজা ৪১৪ | Shami tumi esho
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন