হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe

হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe  রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন।

 

হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe

রাগ: দেশ

তাল: ত্রিতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯২

 

হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

হায় কে দিবে:

হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা।

সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না–

চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥

চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে।

কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে–

হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥

 

হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

 

হায় কে দিবে , পূজা ৪১৫ | Hay ke dibe
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ Rabindranath Tagore ]
আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন