এ অন্ধকার ডুবাও , পূজা ৯৩ | A Ondhokar dubao

এ অন্ধকার ডুবাও , পূজা ৯৩ | A Ondhokar dubao  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫টি গান রচনা করেছিলেন।ধ্রুপদি ভারতীয় সংগীত, বাংলা লোকসংগীত ও ইউরোপীয় সংগীতের ধারা তিনটিকে আত্মস্থ করে তিনি একটি স্বকীয় সুরশৈলীর জন্ম দেন।রবীন্দ্রনাথ তার বহু কবিতাকে গানে রূপান্তরিত করেছিলেন।

এ অন্ধকার ডুবাও , পূজা ৯৩ | A Ondhokar dubao

রাগ: অজ্ঞাত

তাল: অজ্ঞাত

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩১৭

 

এ অন্ধকার ডুবাও:

এ অন্ধকার ডুবাও তোমার অতল অন্ধকারে

ওহে অন্ধকারের স্বামী।

এসো নিবিড়, এসো গভীর, এসো জীবন-পারে

আমার চিত্তে এসো নামি।

এ দেহ মন মিলায়ে যাক, হইয়া যাক হারা

ওহে অন্ধকারের স্বামী।

বাসনা মোর, বিকৃতি মোর, আমার ইচ্ছাধারা

ওই চরণে যাক থামি।

নির্বাসনে বাঁধা আছি দুর্বাসনার ডোরে

ওহে অন্ধকারের স্বামী।

সব বাঁধনে তোমার সাথে বন্দী করো মোরে–

ওহে, আমি বাঁধন-কামী।

আমার প্রিয়, আমার শ্রেয়, আমার হে পরম,

ওহে অন্ধকারের স্বামী,

সকল ঝ’রে সকল ভ’রে আসুক সে চরম–

ওগো, মরুক-না এই আমি ॥

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান ব্রাহ্ম পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।

মন্তব্য করুন