“পথহারা তুমি পথিক যেন গো” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গভীর আবেগময় রবীন্দ্রসঙ্গীত, যা প্রেম পর্বের অন্তর্গত এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকায় প্রেম ৩৬২ নম্বরে চিহ্নিত। গানটি রচিত হয় বাংলা ১২৯৫ সনের অগ্রহায়ণ মাসে, রবীন্দ্রনাথের সৃজনজীবনের পরিণত এক পর্যায়ে, যখন প্রেম, মোহ, আত্মবিস্মৃতি ও অন্তর্গত যাত্রার ভাব তাঁর গানে বিশেষভাবে ধরা পড়ে।
এই গানটির রাগ ইমনকল্যাণ, যা কোমলতা, মাধুর্য ও স্বপ্নিল আবেশ সৃষ্টি করে; আর তাল কাহারবা, যা গানের চলনে একটি সহজ অথচ গভীর গতি এনে দেয়। কথায় ও সুরে এই গান এক পথভ্রষ্ট পথিকের রূপকে মানবমনের আকুলতা, প্রেমের মোহ এবং মায়ার টানে অজানা গন্তব্যে ছুটে চলার চিত্র এঁকে দেয়। এখানে প্রেম শুধু কোনো ব্যক্তির প্রতি আকর্ষণ নয়—এ এক আত্মবিস্মৃতির যাত্রা, যেখানে হৃদয় নিজেই নিজের পথ হারিয়ে ফেলে।
পথহারা তুমি পথিক , প্রেম ৩৬২ | Pothhara tumi pothik
রাগ: ইমনকল্যাণ
তাল: কাহারবা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): অগ্রহায়ণ, ১২৯৫
পথহারা তুমি পথিক:
পথহারা তুমি পথিক যেন গো সুখের কাননে
ওগো যাও, কোথা যাও।
সুখে ঢলঢল বিবশ বিভল পাগল নয়নে
তুমি চাও, কারে চাও।
কোথা গেছে তব উদাস হৃদয়, কোথা পড়ে আছে ধরণী।
মায়ার তরণী বাহিয়া যেন গো মায়াপুরী-পানে ধাও–
কোন্ মায়াপুরী পানে ধাও॥
![পথহারা তুমি পথিক যেন গো [ প্রেম ৩৬২ ] Pothhara tumi pothik 1 পথহারা তুমি পথিক , প্রেম ৩৬২ | Pothhara tumi pothik](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/11/পথহারা-তুমি-পথিক.gif)