জয়যাত্রায় যাও গো , প্রেম ৭৮ | Joyjatray jao go রবীন্দ্রনাথ নিজেও সুগায়ক ছিলেন। বিভিন্ন সভাসমিতিতে তিনি স্বরচিত গান পরিবেশন করতেন। কয়েকটি গান তিনি গ্রামোফোন ডিস্কেও প্রকাশ করেছিলেন। সঙ্গীত প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রবন্ধও তিনি রচনা করেন। এছাড়া স্বরচিত নাটকেও তিনি নিজের গান ব্যবহার করতেন।
জয়যাত্রায় যাও গো , প্রেম ৭৮ | Joyjatray jao go
রাগ: কীর্তন
তাল: দাদরা-খেমটা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৩৩২
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২ জুন, ১৯২৫
জয়যাত্রায় যাও গো:
জয়যাত্রায় যাও গো, ওঠো জয়রথে তব।
মোরা জয়মালা গেঁথে আশা চেয়ে বসে রব॥
মোরা আঁচল বিছায়ে রাখি পথধুলা দিব ঢাকি,
ফিরে এলে হে বিজয়ী,
তোমায় হৃদয়ে বরিয়া লব॥
আঁকিয়ো হাসির রেখা সজল আঁখির কোণে,
নব বসন্তশোভা এনো এ কুঞ্জবনে।
তোমার সোনার প্রদীপে জ্বালো
আঁধার ঘরের আলো,
পরাও রাতের ভালে চাঁদের তিলক নব॥
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়।






![পথহারা তুমি পথিক যেন গো [ প্রেম ৩৬২ ] Pothhara tumi pothik 3 পথহারা তুমি পথিক , প্রেম ৩৬২ | Pothhara tumi pothik](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/11/পথহারা-তুমি-পথিক-1024x536.gif)


