আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

ক্যাটাগরি খেয়া কাব্যগ্রন্থ (১৯১০)

খেয়া কাব্যগ্রন্থ

খেয়া কাব্যগ্রন্থ (১৯১০) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যসাধনার ইতিহাসে ‘খেয়া’ (১৯০৬) এক অনন্য ও রূপান্তরমুখী সৃষ্টি। ১৯০৬ সালে (১৩১৩ বঙ্গাব্দে) প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যজীবনের “অন্তর্বর্তী পর্ব”-এর শেষ সীমা এবং বিশ্ববিশ্রুত “গীতাঞ্জলি পর্ব”-এর প্রত্যক্ষ পূর্বাভাস। পার্থিব রূপ-রস-শব্দ-গন্ধের জগৎ থেকে কবিচেতনা যখন অরূপ, পরম সত্তা ও আধ্যাত্মিক সুন্দরের পানে ধাবিত হচ্ছিল, সেই সন্ধিক্ষণেই জন্ম নেয় খেয়ার কবিতাগুলো। এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ তাঁর […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘অবসান’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর সুরমণ্ডিত ও আধ্যাত্মিক কবিতা হলো ‘অবসান’। এই কবিতায় দিন বা জীবনের অবসানের পর যে শান্ত, স্তব্ধ ও অনন্ত ঘুমের কথা বলা হয়েছে, তা মূলত জাগতিক কোলাহল শেষে পরমসত্তার সাথে বিলীন হওয়ার এক অপূর্ব রূপক। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম অবসান কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূল […]
শেষ খেয়া shesh kheya [ কবিতা ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘শেষ খেয়া’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক, অন্তিম জীবনদর্শনভিত্তিক ও রূপকধর্মী সৃষ্টি হলো ‘শেষ-খেয়া’। এই কবিতায় দিনের শেষে জীবনের অন্তিম লগ্নে উপনীত হওয়া, কাজ-ভাঙানো গানে ও ভাঁটার টানে অজানার উদ্দেশে পাড়ি দেওয়ার আকুলতা এবং মাঝখানের ঘাটে বসে থাকা নিঃস্ব মানুষের শেষ খেয়ায় পার হওয়ার চিরন্তন আবেদন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার […]
ঘাটের পথে ghater pothe [ কবিতা ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘ঘাটের পথে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি সুকোমল, মনস্তাত্ত্বিক ও নিসর্গ-সংলগ্ন সৃষ্টি হলো ‘ঘাটের পথে’। এই কবিতায় গ্রামীণ বধূদের দিঘির ঘাটে জল আনতে যাওয়ার দৃশ্য, ঘর ও বাইরের মধ্যবর্তী আকুল টান, এবং নিত্যদিনের সাধারণ জল বয়ে আনার মধ্যেও জীবনের এক গভীর কাব্যিক ও আবেগপূর্ণ রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘ঘাটে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর জীবনদর্শন ও সমর্পণমূলক কবিতা হলো ‘ঘাটে’। বাউলের সুরে রচিত এই কবিতায় মানুষের অপ্রাপ্তি, আকাঙ্ক্ষার অপূর্ণতা এবং পরপারে যাওয়ার ব্যর্থতাকে হাসিমুখে মেনে নিয়ে বর্তমানের মাঝেই পরম প্রাপ্তি খোঁজার এক অসামান্য আধ্যাত্মিক শিক্ষা ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম ঘাটে কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূল কাব্যগ্রন্থ […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘শুভক্ষণ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত স্নিগ্ধ, রোমান্টিক ও রূপকধর্মী কবিতা হলো ‘শুভক্ষণ’। এই কবিতায় পরম সত্তা বা ঈশ্বরের (রাজার দুলাল) ক্ষণিক দর্শনের জন্য মানবাত্মার যে আকুল প্রতীক্ষা ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রস্তুতি, তা এক মুগ্ধ বালিকার জবানিতে অনবদ্যভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম শুভক্ষণ কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূল কাব্যগ্রন্থ […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘ত্যাগ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ, রূপকধর্মী ও সমর্পণমূলক কবিতা হলো ‘ত্যাগ’। এই কবিতায় জাগতিক লাভ-ক্ষতি বা প্রতিদানের আশা না করে, পরম সত্তার (রাজার দুলাল) প্রতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও নিঃশর্ত আত্মনিবেদনের এক অসামান্য চিত্র ফুটে উঠেছে। কবিতার মূল তথ্য বিষয় বিবরণ কবিতার নাম ত্যাগ কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূল কাব্যগ্রন্থ খেয়া প্রকাশের […]
আগমন কবিতা [ Agomon Kobita ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘আগমন’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি প্রতীকী, আধ্যাত্মিক ও ভাবগভীর সৃষ্টি হলো ‘আগমন’। এই কবিতায় মানুষের জীবনের অলস ও উদাসীন মুহূর্তে হঠাৎ রাজার আগমন, প্রস্তুতহীনতার লজ্জা এবং রিক্ত ও শূন্য হাতেই সেই দুঃখরাতের রাজাকে বরণ করে নেওয়ার এক পরম দার্শনিক সত্য অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার মূল তথ্য: বিষয় বিবরণ কবিতার নাম […]

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘দুঃখমূর্তি’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের একটি গভীর আধ্যাত্মিক এবং সমর্পণমূলক কবিতা হলো ‘দুঃখমূর্তি’। এই কবিতায় কবি জীবনের দুঃখ, কষ্ট বা মৃত্যুকে নেতিবাচক কিছু হিসেবে না দেখে, তাকে পরম ঈশ্বরেরই একটি ভিন্ন রূপ বা আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ঈশ্বর কেবল সুখেই নয়, নিবিড় যন্ত্রণার মাঝেও যে মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকেন—এই গভীর দর্শনই এখানে মূর্ত হয়েছে। […]
মুক্তিপাশ কবিতা [ Muktipash Kobita ] -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া কাব্যগ্রন্থের ‘মুক্তিপাশ’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খেয়া’ (১৯০৬) কাব্যগ্রন্থের অন্যতম একটি গভীর আধ্যাত্মিক, রূপকধর্মী ও মুক্তির আনন্দঘন সৃষ্টি হলো ‘মুক্তিপাশ’। এই কবিতায় নিশীথ রাতে গোপনবিহারীর আগমন, সাধকের ঘুমের মাঝে সব দরজা-জানালা খুলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে অন্তরের সংকীর্ণতা কেটে যাওয়ার এবং সমস্ত বাহ্যিক বাধা ভেঙে পরম মুক্তির আনন্দ লাভ করার এক অপূর্ব কাব্যিক রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। […]

জনপ্রিয় খবর

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত