বাঁশরি বাজাতে চাহি , প্রেম ৩০৫ | Bashori bajate chahi

বাঁশরি বাজাতে চাহি , প্রেম ৩০৫ | Bashori bajate chahi  রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।

 

বাঁশরি বাজাতে চাহি , প্রেম ৩০৫ | Bashori bajate chahi

রাগ: কাফি-সিন্ধু

তাল: ত্রিতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২৯১

বাঁশরি বাজাতে চাহি:

বাঁশরি বাজাতে চাহি, বাঁশরি বাজিল কই।

বিহরিছে সমীরণ, কুহরিছে পিকগণ,

মথুরার উপবন কুসুমে সাজিল ওই॥

বিকচ বকুলফুল দেখে যে হতেছে ভুল,

কোথাকার অলিকুল গুঞ্জরে কোথায়।

এ নহে কি বৃন্দাবন, কোথা সেই চন্দ্রানন,

ওই কি নুপূরধ্বনি, বনপথে শুনা যায়।

একা আছি বনে বসি, পীত ধড়া পড়ে খসি,

সোঙরি সে মুখশশী পরান মজিল সই॥

একবার রাধে রাধে ডাক্‌ বাঁশি মনোসাধে–

আজি এ মধুর চাঁদে মধুর যামিনী ভায়।

কোথা সে বিধুরা বালা– মলিনমালতীমালা,

হৃদয়ে বিরহজ্বালা, এ নিশি পোহায় হায়।

কবি যে হল আকুল, একি রে বিধির ভুল,

মথুরায় কেন ফুল ফুটেছে আজি লো সই॥

 

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্‌, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

মন্তব্য করুন