রঙ্গ কবিতাটি [ rongo kobita ] কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রহাসিনী-কাব্যগ্রন্থের অংশ।
রঙ্গ
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাব্যগ্রন্থের নামঃ প্রহাসিনী
কবিতার নামঃ র’ঙ্গ
রঙ্গ কবিতা | rongo kobita | প্রহাসিনী-কাব্যগ্রন্থ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
“এ তো বড়ো র’ঙ্গ’ ছড়াটির অনুকরণে লিখিত
এ তো বড়ো র’ঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো র’ঙ্গ–
চার মিঠে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
বরফি মিঠে, জিলাবি মিঠে, মিঠে শোন-পাপড়ি–
তাহার অধিক মিঠে, কন্যা, কোমল হাতের চাপড়ি।
এ তো বড়ো র’ঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো র’ঙ্গ–
চার সাদা দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
ক্ষীর সাদা, নবনী সাদা, সাদা মালাই রাবড়ি–
তাহার অধিক সাদা তোমার পষ্ট ভাষার দাবড়ি।
এ তো বড়ো র’ঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ–
চার তিতো দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
উচ্ছে তিতো, পলতা তিতো, তিতো নিমের সুক্ত–
তাহার অধিক তিতো যাহা বিনি ভাষায় উক্ত।
এ তো বড়ো র’ঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো র’ঙ্গ–
চার কঠিন দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
লোহা কঠিন, বজ্র কঠিন, নাগরা জুতোর তলা–
তাহার অধিক কঠিন তোমার বাপের বাড়ি চলা।
এ তো বড়ো র’ঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো র’ঙ্গ–
চার মিথ্যে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
মিথ্যে ভেলকি, ভূতের হাঁচি, মিথ্যে কাঁচের পান্না–
তাহার অধিক মিথ্যে তোমার নাকি সুরের কান্না।
আরও দেখুনঃ

