অশান্তি আজ হানল , প্রেম ২৭০ | Oshanti aj hanlo রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত মোট গানের সংখ্যা ২২৩২।তার গানের কথায় উপনিষদ্, সংস্কৃত সাহিত্য, বৈষ্ণব সাহিত্য ও বাউল দর্শনের প্রভাব সুস্পষ্ট। অন্যদিকে তার গানের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের (হিন্দুস্তানি ও কর্ণাটকি উভয় প্রকার) ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তরানা, ভজন ইত্যাদি ধারার সুর এবং সেই সঙ্গে বাংলার লোকসঙ্গীত, কীর্তন, রামপ্রসাদী, পাশ্চাত্য ধ্রুপদি সঙ্গীত ও পাশ্চাত্য লোকগীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
অশান্তি আজ হানল , প্রেম ২৭০ | Oshanti aj hanlo
রাগ: হাম্বীর
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): মাঘ, ১৩৪২
অশান্তি আজ হানল:
অশান্তি আজ হানল এ কী দহনজ্বালা।
বিঁধল হৃদয় নিদয় বাণে বেদনঢালা॥
বক্ষে জ্বালায় অগ্নিশিখা, চক্ষে কাঁপায় মরীচিকা–
মরণসুতোয় গাঁথল কে মোর বরণমালা॥
চেনা ভুবন হারিয়ে গেল স্বপনছায়াতে
ফাগুনদিনের পলাশরঙের রঙিন মায়াতে।
যাত্রা আমার নিরুদ্দেশা, পথ হারানোর লাগল নেশা–
অচিন দেশে এবার আমার যাবার পালা॥
রবীন্দ্রনাথের সকল গান গীতবিতান নামক সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। উক্ত গ্রন্থের ১ম ও ২য় খণ্ডে রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার গানগুলিকে ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ও ‘আনুষ্ঠানিক’ – এই ছয়টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর গীতবিতান গ্রন্থের প্রথম দুই খণ্ডে অসংকলিত গানগুলি নিয়ে ১৯৫০ সালে উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ড প্রকাশিত হয়।
রবীন্দ্রসংগীত’ বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত এবং রবীন্দ্রনাথ বা তার নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক সুরারোপিত গানগুলিকেই বোঝায়।







![একটি ক্ষুদ্র পুরাতন গল্প Ekti khudro puraton galpo [ছোটগল্প ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি ক্ষুদ্র পুরাতন গল্প Ekti khudro puraton galpo [ছোটগল্প ]- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/একটি-ক্ষুদ্র-পুরাতন-গল্প-1024x536.gif)