রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কণিকা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত “অপরিহরণীয়” কবিতাটি মানুষের আত্মমূল্য, মর্যাদা ও অন্তর্গত সম্পদের অখণ্ডতা নিয়ে রচিত এক দার্শনিক চিত্র। কবি এখানে ইঙ্গিত করেছেন—জীবনের প্রকৃত সম্পদ বাহিরে নয়, তা লুকিয়ে থাকে মানুষের চেতনা, সত্যনিষ্ঠা ও আত্মিক শক্তিতে; যা কোনো শক্তিই কাড়তে পারে না, কোনো বিপদই যার ক্ষয় ঘটাতে পারে না। ক্ষুদ্র রূপক ও ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষার ভেতর দিয়ে রবীন্দ্রনাথ মানুষকে আত্মবিশ্বাস, নৈতিক দৃঢ়তা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার শিক্ষা দিয়েছেন। ছোট্ট এই রচনার মধ্যেও মানবজীবনের এক গভীর চিরন্তন সত্য উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
অপরিহরণীয় কবিতা [ Oporihoroniyo Kobita] – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মৃত্যু কহে, পুত্র নিব; চোর কহে ধন।
ভাগ্য কহে, সব নিব যা তোর আপন।
নিন্দুক কহিল, লব তব যশোভার।
কবি কহে, কে লইবে আনন্দ আমার?


![ঋষি কবি বলেছেন rishi kobi bolechhen [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋষি কবি বলেছেন rishi kobi bolechhen [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/ঋষি-কবি-বলেছেন-rishi-kobi-bolechhen-কবিতা--1024x536.gif)


![গান gaan [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান gaan [ কবিতা ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/04/গান-gaan-কবিতা--1024x536.gif)

![পত্রপুট কাব্যগ্রন্থের ‘আমার ছুটি চার দিকে ধু ধু করছে’ কবিতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার ছুটি চার দিকে ধু ধু করছে [ পুত্রপুট কাব্যগ্রন্থ ] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর](https://amarrabindranath.com/wp-content/uploads/2022/06/আমার-ছুটি-চার-দিকে-ধু-ধু-করছে-1-1024x576.gif)
