আপনার ভালো লাগতে পারে

রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটোগল্প, রবীন্দ্রনাথের কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, নাট্যসাহিত্য, চিত্রকলা, রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শিক্ষাচিন্তা

আমার না বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে [ পূজা ৫৬ ] Amar na bola banir

Table of Content

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতিসাহিত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো গভীর ভাবনা ও অন্তর্মুখী অনুভূতির সুরেলা প্রকাশ। “আমার না বলা বাণীর” গানটি কবির সেই ভাবগভীর, গীতিধর্মী ও অধ্যাত্মচেতনাময় সৃষ্টির এক অনুপম দৃষ্টান্ত। গানটি ‘পূজা’ পর্যায়ের (পূজা ৫৬) অন্তর্গত, যেখানে ভক্তি, আত্মসমর্পণ ও নীরব আত্মসংলাপ একাকার হয়ে গেছে।

এই গানের রাগ কীর্তন, তাল দাদরা। গানটি রচিত হয় ৬ মাঘ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯ জানুয়ারি ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দ), শান্তিনিকেতনে। স্বরলিপি রচনা করেন দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। এখানে কবি না-বলা বাণী, না-করা প্রার্থনা ও অচেতন দানের মধ্য দিয়ে ঈশ্বর বা প্রিয় সত্তার সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগের কথা বলেছেন। নীরবতার মধ্যেই যে গভীরতম সুর বাজে—এই গান তারই কাব্যিক সংগীতরূপ।

আমার না বলা বাণীর , পূজা ৫৬ | Amar na bola banir

রাগ: কীর্তন | তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৬ মাঘ, ১৩৩৪
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৮
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমার না বলা বাণীর :

আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে

তোমার ভাবনা তারার মতন বাজে ॥

নিভৃত মনের বনের ছায়াটি ঘিরে

না-দেখা ফুলের গোপন গন্ধ ফিরে,

আমার লুকায় বেদনা অঝরা অশ্রুনীরে–

অশ্রুত বাঁশি হৃদয়গহনে বাজে ॥

ক্ষণে ক্ষণে আমি না জেনে করেছি দান

তোমায় আমার গান।

পরানের সাজি সাজাই খেলার ফুলে,

জানি না কখন নিজে বেছে লও তুলে–

তুমি অলখ আলোকে নীরবে দুয়ার খুলে

প্রাণের পরশ দিয়ে যাও মোর কাজে ॥

 

Share

সাহিত্য ডেস্ক, আমার রবীন্দ্রনাথ, GOLN

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্তৃত সাহিত্যভুবনের একটি নিবেদিত আয়োজন—‘আমার রবীন্দ্রনাথ’-এর সাহিত্য ডেস্ক। এখানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, পত্রসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনি, স্মৃতিকথা, অনুবাদ ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম নিয়ে প্রকাশিত হবে পাঠ, বিশ্লেষণ, আলোচনা ও গবেষণাভিত্তিক লেখা।তাঁর সাহিত্যকর্মের বিষয়, ভাষা, শিল্পরীতি, ভাবনা ও সময়ের প্রেক্ষাপটকে গুরুত্ব দিয়ে পাঠকের সামনে তুলে ধরা হবে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির বহুমাত্রিকতা। পাশাপাশি তাঁর সাহিত্যচিন্তা, চরিত্র নির্মাণ, প্রকৃতি ও মানবজীবনের উপস্থাপন এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও থাকবে বিশেষ আয়োজন।রবীন্দ্রসাহিত্যের পাঠ, বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যভুবনকে আরও গভীরভাবে জানাই এই ডেস্কের উদ্দেশ্য।

মন্তব্য করুন

সম্পাদকের পছন্দ

জনপ্রিয়

© ২০২৬ আমার রবীন্দ্রনাথ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত